গত পর্বে আপনাদের বেশ কিছু দুর্গ সর্ম্পকে জানিয়ে ছিলাম আজ আরো কিছু দুর্গ সর্ম্পকে জানাবো বলে হাজির হয়েছি।
হাইমেজি দুর্গ (Himanij castle):
জাপানের এই প্রাসাদ দুর্গটি চতুর্থ শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছিল। জাপানের ভূপতিদের বলা হতো ‘দাইমিয়ো’। যুদ্ধবিগ্রহ লেগেই থাকতো তাদের তাই নিজেদের সুরক্ষার জন্য তারা তৈরি করেছিলেন শক্তিশালী প্রাসাদ দুর্গ। সেখানে পরিবার পরিজন নিয়ে তারা বসবাস করতেন।আর সুরক্ষার ছিল জাপানী যোদ্ধাদের উপর। এরা সামুরাই নামে পরিচিত।
হাইমেজি দুর্গ ও তেমনি এক জাপানী ভূপতির সুরক্ষিত আবাসস্থল। এর প্রধান টাওয়ারটি কাঠের। তবে গোলাবারুদ ঠেকানোর জন্য টাওয়ারের গায়ে সাদা প্লাস্টার রয়েছে।
লচিস দুর্গ (leach castle):
ফ্রান্সের এই প্রাসাদ দুর্গটি নির্মিত হয়েছিল একাদশ শতাব্দীতে।প্রাসাদ দুর্গ হিসাবে ব্যবহৃত হওয়া ছাড়াও রাজা একাদশ লুইএর সময় এটি বন্দীশালা হিসাবেও কাজে লাগানো হয়।
রাজা একাদশ লুই ছোট ছোট এমন সব খাঁচার মধ্যে বন্দীদের রাখতো যে তারা না পারতো দাড়াতে না পারত শুতে। মাঝেমধ্যে খাঁচাগুলো ছাদে ঝুলিয়েও রাখা হতো।
ক্যাসটিলো দ্য সান মারকোস (Castillo de San Marcos):
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লেমিঙ্গোর সেন্ট অগাস্টিনে এই দুর্গটি অবস্থিত। দুর্গটি গড়া হয় ১৬৯৫ সালে। এই দুর্গটি যুক্তরাষ্ট্রের একমাএ প্রাসাদ দুর্গ। স্প্যানিশরা এক ধরনের সামুদ্রিক পাথর দিয়ে প্রাসাদ দুর্গটি গড়ে তোলে। এই পাথর গুলো কোকুইনা নামে পরিচিত। শত্রুরা কামানের গোলা ছুড়ে কোকুইনা তৈরি এই দেয়ালের কিছুই করতে পারতনা। দেয়াল চুড়মার করার বদলে কামানের গোলা দেয়ালে ঢুকে পরতো।
অনেকটা স্পঞ্জের ভেতর কিছু ঢুকিয়ে দেয়ার মত। জলদস্যুরা ও ইংরেজরা বহু চেষ্টা করেও এই দুর্গ দখল করতে পারেনি।
টাওয়ার অব লন্ডন (Tower of London):
টাওয়ার অব লন্ডন দুর্গটি ১০৮৭ সালে ইংল্যান্ডের নির্মিত হয়। হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে এই দুর্গটি বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি একাধারে প্রাসাদ, বন্দিশালা, টাকশাল, এবং মানমন্দির হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বর্তমানে এটি রাজমুকুটের মূল্যবান পাথরের যাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
সংগ্রহীতঃ অন্যআলো
0 comments:
Post a Comment